বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৫৩
শিরোনাম :
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ হাসান বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশিং অফিসার নির্বাচিত

ডেক্সরিপোর্ট:ঝালকাঠি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান জুলাই মাসে বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং ও স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এ সময় ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি ছেলেধরা গুজব প্রতিরোধে পুলিশের প্রচারণা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাদক-সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও ইভটিজিং-বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট ছিলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান। তাঁর কর্মকাণ্ডে পুলিশের সুনাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ কারণে রেঞ্জ ডিআইজি ২০১৯ সালের জুলাই মাসে তাকে রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং ও স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং অফিসারের সম্মাননা প্রদান করেন।

তাঁর এ কর্মদক্ষতার কারণে ইতোপূর্বে চার দফায় তিনি বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঝালকাঠিতে যোগদানের পর মাদক নির্মূলে পদক্ষেপ নিয়েছেন। ঝালকাঠিতে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন মাহমুদ হাসান।

তিনি তিন বছরে চার হাজার পরিবারের পারিবারিক সমস্যা সমাধান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অসংখ্য মানুষের জমি নিয়ে বিরোধ নিস্পত্তিও করেছেন তিনি। এ ছাড়াও পাওনা টাকা আদায় ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন। জনপ্রিয় এ পুলিশ কর্মকর্তা সততার কারণে আস্থা অর্জন করেছেন সহকর্মীদের কাছেও।
সন্ত্রাসী ও মাদক সেবীদের কাছে যেমনি তিনি আতঙ্ক, তেমনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন প্রিয় মানুষ হিসেবে এম এম মাহমুদ হাসানের সুনাম রয়েছে জেলাজুড়ে।

পুরস্কার পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান বলেন, এ স্বীকৃতি ভবিষ্যতে নিঃসন্দেহে আমার কর্মোদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে আমাকে আরও বেশি দায়িত্ববান করবে।

তিনি ঝালকাঠিবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, এ কর্মস্থলের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পুলিশের ভাল কাজে অতীতের মত আপনাদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন কামনা করছি।